পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ইন বাংলাদেশ: কিভাবে করবেন (How to Make It)
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Power of Attorney) একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি (পাওয়ারদাতা) অন্য একজন ব্যক্তিকে (পাওয়ারগ্রহীতা) তার পক্ষে নির্দিষ্ট কিছু কাজ করার ক্ষমতা অর্পণ করেন। বাংলাদেশে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ (Power of Attorney Act, 2012) দ্বারা এটি নিয়ন্ত্রিত হয়। এই আইনটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সংক্রান্ত সকল বিধান, এর কার্যকারিতা, রেজিস্ট্রেশন এবং অবসানের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করে। ব্যারিস্টার মেহেরুবা মাহবুবের meheruba.com/about/ ওয়েবসাইটে, আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়াটি সহজভাবে ব্যাখ্যা করব, যাতে আপনি বাংলাদেশে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেতে পারেন।
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কি এবং কেন প্রয়োজন?
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি হলো একটি আইনি অনুমোদন, যা একজন ব্যক্তিকে অন্য কারো পক্ষে কাজ করার ক্ষমতা দেয়। এই ক্ষমতা আর্থিক, স্বাস্থ্যসেবা বা অন্যান্য ব্যক্তিগত বিষয়ে হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি অসুস্থ হন, দেশের বাইরে থাকেন, অথবা আপনার পক্ষে কাজ করার জন্য অন্য কারো প্রয়োজন হয়, তাহলে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অত্যন্ত কার্যকর একটি সমাধান। এটি আপনার অনুপস্থিতিতে বা অক্ষমতার সময় আপনার সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা এবং আইনি বিষয়গুলি নিশ্চিত করে।
পাওয়ার অব অ্যাটর্নির সংজ্ঞা
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১) অনুযায়ী, “পাওয়ার অব অ্যাটর্নি” অর্থ এমন কোন দলিল যাহার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি তাহার পক্ষে উক্ত দলিলে বর্ণিত কার্য-সম্পাদনের জন্য আইনানুগভাবে অন্য কোন ব্যক্তির নিকট ক্ষমতা অর্পণ করেন।
পাওয়ার অব অ্যাটর্নির গুরুত্ব
- সুবিধা: এটি আপনার পক্ষে আইনি ও আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে ক্ষমতা দেয়, বিশেষ করে যখন আপনি নিজে উপস্থিত থাকতে পারেন না।
- নিরাপত্তা: এটি নিশ্চিত করে যে আপনার সম্পদ এবং স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে, এমনকি যদি আপনি অক্ষম হয়ে পড়েন।
- মানসিক শান্তি: এটি আপনাকে মানসিক শান্তি দেয় যে আপনার বিষয়গুলি আপনার নির্বাচিত ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত হবে।
বাংলাদেশে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির প্রকারভেদ
বাংলাদেশে প্রধানত দুই ধরনের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রচলিত আছে: সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (General Power of Attorney) এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Irrevocable Power of Attorney)। এই দুটি প্রকারের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো তাদের কার্যকারিতা এবং অবসানের শর্তাবলী।
সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (General Power of Attorney)
সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি হলো এমন একটি দলিল, যা পাওয়ারগ্রহীতাকে পাওয়ারদাতার পক্ষে সাধারণ আইনি ও আর্থিক বিষয়ে কাজ করার ক্ষমতা দেয়। এটি সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। পাওয়ারদাতা যেকোনো সময় এই পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল করতে পারেন। এটি সাধারণত ব্যাংক লেনদেন, ভাড়া আদায়, মামলা পরিচালনা, বা অন্যান্য দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Irrevocable Power of Attorney)
অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি একটি বিশেষ ধরনের দলিল, যা সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি বা ফ্ল্যাট) ক্রয়-বিক্রয়, বন্ধক রাখা বা ভূমি উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি একবার সম্পাদিত হলে, পাওয়ারদাতার মৃত্যু বা অক্ষমতাতেও এটি বাতিল হয় না, যতক্ষণ না নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন হয় বা চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ৪ এই বিষয়ে বিস্তারিত বিধান প্রদান করে। এই ধরনের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক।
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কিভাবে করবেন: ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া
বাংলাদেশে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি তৈরি করার প্রক্রিয়াটি বেশ কিছু আইনি ধাপ অনুসরণ করে। সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে দলিলটি আইনত বৈধ হয় এবং এর উদ্দেশ্য পূরণ হয়।
১. উদ্দেশ্য নির্ধারণ ও প্রকার নির্বাচন
প্রথমেই আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে আপনি কী উদ্দেশ্যে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি তৈরি করতে চান। আপনার উদ্দেশ্য অনুযায়ী, আপনাকে সাধারণ বা অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নির্বাচন করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি আপনার সম্পত্তি বিক্রি করতে চান, তাহলে অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রয়োজন হবে।
২. পাওয়ারদাতা ও পাওয়ারগ্রহীতা নির্বাচন
আপনাকে একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পাওয়ারগ্রহীতা হিসেবে নির্বাচন করতে হবে। পাওয়ারগ্রহীতাকে অবশ্যই সাবালক এবং সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হতে হবে। অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে, পাওয়ারদাতা ও পাওয়ারগ্রহীতার ১ (এক) কপি করে ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি দলিলে সংযুক্ত করতে হবে (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ৬(৩))।
৩. দলিলের খসড়া প্রস্তুতকরণ
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের খসড়া প্রস্তুত করার সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। দলিলে পাওয়ারদাতার উদ্দেশ্য এবং পাওয়ারগ্রহীতার দায়িত্ব, ক্ষমতা ও কার্যাবলীর সুস্পষ্ট বিবরণ থাকতে হবে (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ৬(২))। একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাহায্য নেওয়া এই ধাপে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যারিস্টার মেহেরুবা মাহবুবের মতো একজন বিশেষজ্ঞ আইনজীবী আপনাকে সঠিক খসড়া তৈরিতে সহায়তা করতে পারেন। তার meheruba.com/practice-areas/ বিভাগে আপনি আইনি সহায়তার বিষয়ে আরও জানতে পারবেন।
৪. স্ট্যাম্প ও স্বাক্ষর
দলিলটি উপযুক্ত মূল্যের স্ট্যাম্প পেপারে লিখতে হবে। পাওয়ারদাতা ও পাওয়ারগ্রহীতা উভয়কেই দলিলে স্বাক্ষর করতে হবে। দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিও প্রয়োজন।
৫. রেজিস্ট্রেশন
অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নির রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ৬(১))। সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক না হলেও, এটি করা হলে দলিলের আইনি বৈধতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে।
৬. বিদেশে সম্পাদিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
যদি পাওয়ারদাতা বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করেন এবং সেখানে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল সম্পাদন করেন, তাহলে দলিলটি বাংলাদেশে প্রথম প্রবেশের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রমাণীকরণ (Authentication) করতে হবে। এরপর এটি স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ (Stamp Act, 1899) এর ধারা ১৮ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কালেক্টর কর্তৃক প্রয়োজনীয়রূপে স্ট্যাম্পযুক্ত করতে হবে (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ৬(৬))।
পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অবসান
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বাতিল বা অবসান হতে পারে। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ১১ তে অবসানের বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
অবসানের কারণসমূহ
- নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন হলে: যদি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য তৈরি করা হয়, তাহলে সেই কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।
- নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হলে: যদি দলিলের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে, তাহলে সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এটি বাতিল হয়ে যায়।
- বিষয়বস্তুর বিনাশ: যে বিষয়বস্তুর উপর পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদন করা হয়, সেই বিষয়বস্তুর বিনাশ বা অস্তিত্বের বিলোপ ঘটলে।
- পাওয়ারদাতার মৃত্যু বা অক্ষমতা: সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে, পাওয়ারদাতার মৃত্যু, দেউলিয়াত্ব বা অপ্রকৃতিস্থ হলে এটি বাতিল হয়ে যায়। তবে অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
- পাওয়ারদাতার বাতিলকরণ: সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি পাওয়ারদাতা ৩০ দিনের নোটিশ প্রদান করে বাতিল করতে পারেন (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ১১(২))।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQs)
১. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কি পরিবর্তন করা যায়?
হ্যাঁ, সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি পাওয়ারদাতা যেকোনো সময় পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারেন। তবে, অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সাধারণত পরিবর্তন বা বাতিল করা যায় না, যদি না উভয় পক্ষ সম্মত হয় এবং নির্দিষ্ট শর্তাবলী পূরণ হয়।
২. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ছাড়া কি সম্পত্তি বিক্রি করা সম্ভব?
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ছাড়া সম্পত্তি বিক্রি করা সম্ভব, তবে সেক্ষেত্রে সম্পত্তির মালিককে নিজে উপস্থিত থেকে সকল দলিলে স্বাক্ষর করতে হবে। যদি মালিক উপস্থিত থাকতে না পারেন, তাহলে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি অপরিহার্য।
৩. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি রেজিস্ট্রেশন করতে কত খরচ হয়?
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি রেজিস্ট্রেশনের খরচ দলিলের প্রকার এবং সম্পত্তির মূল্যের উপর নির্ভর করে। রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ (Registration Act, 1908) এবং পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ১২ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হয়। সঠিক ফি জানতে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করা উচিত।
৪. একজন অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি কি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে পারেন?
না, একজন অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি বা যিনি সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী নন, তিনি আইনত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে পারেন না। পাওয়ারদাতা এবং পাওয়ারগ্রহীতা উভয়কেই সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হতে হবে।
৫. বিদেশে বসবাসকারী একজন বাংলাদেশী কিভাবে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি তৈরি করবেন?
বিদেশে বসবাসকারী একজন বাংলাদেশী পাওয়ারদাতা তার পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল বিদেশে সম্পাদন করতে পারেন। তবে, এটি বাংলাদেশে ব্যবহার করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রমাণীকরণ (Authentication) এবং স্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ অনুযায়ী স্ট্যাম্পযুক্ত করতে হবে।
৬. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কি উত্তরাধিকারীদের উপর প্রভাব ফেলে?
সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি পাওয়ারদাতার মৃত্যুর সাথে সাথে বাতিল হয়ে যায় এবং উত্তরাধিকারীদের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে, অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে, পাওয়ারদাতার মৃত্যু হলেও নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকতে পারে এবং এর ফলস্বরূপ উত্তরাধিকারীদের উপর প্রভাব পড়তে পারে (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ এর ধারা ৮)।
৭. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল হলে কি হবে?
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল হলে, পাওয়ারগ্রহীতার সকল ক্ষমতা শেষ হয়ে যায়। যদি বাতিল হওয়ার পরও পাওয়ারগ্রহীতা কোনো কাজ করেন, তাহলে সেই কাজ আইনত অবৈধ বলে গণ্য হতে পারে। বাতিলকরণের নোটিশ সংশ্লিষ্ট পক্ষদের এবং সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করা উচিত।
উপসংহার
বাংলাদেশে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি একটি শক্তিশালী আইনি হাতিয়ার, যা আপনার অনুপস্থিতিতে বা অক্ষমতার সময় আপনার স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। এটি সঠিকভাবে তৈরি এবং রেজিস্ট্রেশন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ভুল হলে তা গুরুতর আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই, একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য। ব্যারিস্টার মেহেরুবা মাহবুব এবং তার দল meheruba.com/contact/ এ আপনার আইনি প্রয়োজনে সহায়তা করতে প্রস্তুত। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন বা সহায়তার জন্য আজই যোগাযোগ করুন। আমাদের meheruba.com/blog/ বিভাগে আপনি আরও আইনি বিষয়ে জানতে পারবেন।
0 Comments